কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ! আবাসন খাতে

কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ! আবাসন খাতে

আবাসন খাতে নিবন্ধন ফি কমানোর পাশাপাশি সুযোগ রাখা হয়েছে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কালো টাকা বিনিয়োগের। আবাসন ব্যবসায়ীরা বলছেন, `সরকারের এ সিদ্ধান্তে সুদিন ফিরবে তাদের ব্যবসায়। যদিও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, অর্থপাচার রোধে দেশে কালোটাকার বিনিয়োগ উৎসাহিত করা হলেও এ উদ্যোগ কতটুকু ফলপ্রসূ হবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।’

উল্লেখ্য যে, ‘সবার জন্য আবাসন নিশ্চিতে সরকারের লক্ষ্যপূরণের অংশ হিসেবে, এবার গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে ২০১৮-১৯ বাজেটের তুলনায় প্রায় ২ হাজার ১শ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। সেইসাথে বেসরকারি আবাসন খাতের জন্য বেশকিছু প্রণোদনা দেয়া হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। অপ্রদর্শিত বা কালোটাকার বিনিয়োগে রাজধানীর গুলশান, বনানী, ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন এলাকায় এবং চট্টগ্রামের কয়েকটি এলাকায় আবাসিক ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে প্রতি বর্গমিটারে আগের তুলনায় ১ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত কর ছাড় দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভাগীয়, জেলা বা পৌর এলাকায় কালো টাকার বিনিয়োগে জমি কিনতেও নির্দিষ্ট করা হয়েছে কর হার। বাজেট বক্তৃতায় আছে ফ্ল্যাটের নিবন্ধন ফি কমানোর ঘোষণাও।’

রিহ্যাবের প্রথম সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী ভূঁইয়া মনে করেন, ‘আবাসন খাতে প্রস্তাবিত বাজেটে দেয়া সুযোগ সুবিধা এখাতের সাথে জড়িত প্রায় আড়াইশ’ শিল্পখাত পরোক্ষভাবে পাবে যা অর্থনীতির জন্য সুফল বয়ে আনবে।’

লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, ‘কালো টাকা একসময় দেশের বাইরে চলে যেত। এখন সুযোগ থাকার ফলে এই টাকাটা দেশেই বিনিয়োগ করার সুযোগ পাওয়া যাবে।’

কালোটাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হয়েছে আবাসনের পাশাপাশি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাইটেক পার্কে ১০ শতাংশ কর দিয়ে। তবে অর্থনীতিবিদ তৌফিকুল ইসলাম খান মনে করেন, এধরনের অর্থ মূলধারায় খুব বেশি ফেরানো যাবেনা।

তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘যত সুবিধাই দেয়া হোক না কেন, সুশাসন ঠিক না থাকলে কালো টাকার মালিকদের ট্যাক্সের আওতায় আনা অসম্ভব।’